Monthly Archives: October 2011

যাদু ও তার প্রতিকার


যাদু ও তার প্রতিকার বিষয়ক বাংলা ভাষায় একমাত্র বই

যাদু অত্যন্ত বড় কবীরা গুনাহ যা মানুষকে শিরকের দিকে ধাবিত করে এবং ঈমান ধ্বংস করে দেয়। বর্তমান যুগে রোগ-ব্যাধি ও পাপ ব্যাপকতা যেমন লাভ করেছে তেমনি এগুলোর সাথে সাথে জাদুর ব্যাপকতা লাভ করেছে। সমাজের আনাচে কানাচে এর ব্যবহার অত্যন্ত মারাত্বকভাবে প্রসার লাভ করেছে যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শাইখ ওয়াহিদ বিন আব্দুস সালাম বালীর রচিত ‘যাদুকর ও জ্যোতিষির গলায় ধারালো তরবারী’ বইটিতে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছেঃ

  • যাদুর পরিচয়।
  • যাদুর প্রমান।
  • যাদুর প্রকারভেদ।
  • যাদুকরের জ্বিন হাজির করার পদ্ধতি।
  • ইসলামে যাদুর হুকুম।
  • কেরামত, মু’জেযা ও যাদুর মধ্যে পার্থক্য।
  • একটি সংশয় ও তার নিরাসন।
  • কোন কোন পদ্ধতিতে যাদু করা হয়।
  • যাদু দিয়ে মানুষের কি কি ক্ষতি করা যায়।
  • যাদুর প্রতিকার বিবরণ সহ

আরো অনেক বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। যাদু, জ্যোতিষি ও গনকগিরি শয়তানী কর্মকান্ডের অন্তর্ভুক্ত। ঈমান-আকয়দা নষ্টকারী বিষয়। কেননা এগুলো শিরক ও কুফুরীর মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে। এজন্য শরীয়ত শিরকের সাথে সাথে যাদু থেকেও সতর্ক করে। এই গুরুত্ত্বপুর্ণ বিষয়টি জানতে বইটি ডাউনলোড করুন, পড়ুন এবং আপনার বন্ধু/আত্মীয়-স্বজনদের সাথে শেয়ার করুন। পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫২

ডাউনলোড  [৩.৯২ MB]

ডাউনলোড করুন MediaFire থেকে

ডাউনলোড করুন 4shared থেকে

Download the English Version

***********

হুনাইনের যুদ্ধ – ইবনে হিশাম


আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তাঁর সাদা খচ্চরটির লাগাম ধরে বসেছিলাম। আমি খুব মোটাসোটা ও বুলন্দ কন্ঠের অধিকারী ছিলাম। ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মুসলিম সৈনিকদের ঊর্ধশ্বাসে ছুটতে দেখে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হে লোকেরা, আমি তোমাদেরকে কারো প্রতি ফিরে তাকাতে দেখছি না!” রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বললেন, “আব্বাস ! চিৎকার করে এভাবে ডাক দাও ; ‘হে আনসারগণ ! ওহে বাবুল বৃক্ষের নীচে অংগীকারদাতাগণ !”

আমি আদেশ অনুসারে ডাকতে লাগলে প্রত্যেকে লাব্বায়েক বলে সাড়া দিতে লাগলো। এই সময় অশ্বারোহী সাহাবীদের কেউ কেউ ছুটন্ত ও পলায়নরত উটের গতি ফিরাতে ব্যর্থ হয়ে বর্ম দিয়ে তার স্কন্ধে আঘাত করেন। তাতেও ফিরাতে না পেরে অস্ত্র নিয়ে উট থেকে নেমে আসেন এবং উটকে ছেড়ে দেন। অতঃপর যেদিন থেকে আওয়াজ আসছে সেদিকে এগিয়ে যান এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পৌঁছে যান। এভাবে একশ জনের মত সাহাবী জমায়েত হয়ে শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন এবং তুমুল যুদ্ধে লিপ্ত হলেন।

প্রথমে “হে আনসারগণ” বলে ডাকা হতে থাকে। পরে শুধু “হে খাযরাজ” বলে ডাকা শুরু হয়। কেননা খাযরাজ রণাঙ্গনে দৃঢ়চিত্ত বলে আরবদের কাছে সুপরিচিত ছিল। অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাযরাজের বাহিনী নিয়ে এগুতে থাকেন। তারপর রণাঙ্গনের দিকে তাকিয়ে দেখেন, প্রচণ্ড সংঘর্ষ চলছে। তা দেখে বললেন, “এবার রণাঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে”।

হুনাইনের দিনকে স্মরণ করো, যখন তোমরা নিজেদের সংখ্যাধিক্যতে তুষ্ট ছিলে; কিন্তু তাতে তোমাদের কোনো কাজ হয়নি; বরং জমিন প্রশস্ত থাকা সত্ত্বেও তা তোমাদের জন্যে সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছিলো এবং তোমরা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পালিয়েছিলে। অতঃপর আল্লাহ তাঁর রাসূল এবং মুসলমানদের ওপর নিজের তরফ থেকে সান্ত্বনা ও প্রশান্তির ভাবধারা নাযিল করলেন এবং তোমরা দেখতে পাওনি এমন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করে কাফিরদের শাস্তি দিলেন। কাফিরদের জন্যে এমনি শাস্তিই নির্ধারিত।
(
সূরা তাওবাঃ ২৫,২৬)

DOWNLOAD PDF TO READ DETAILS (4.38Mb only)

***************

বদর যুদ্ধ


বদরের যুদ্ধ

‘সীরাতে ইবনে হিশাম’ হতে সংকলিত

[ সাইয়্যিদুল মুরসালিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাচীনতম জীবনীগ্রন্থ ]

মূলঃ ইবনে হিশাম

অনুবাদঃ আকরাম ফারুক

ময়দানে যখন উভয় পক্ষের সৈন্যদল মুখোমুখি এসে দাঁড়ালো, তখন এক অদ্ভূত দৃশ্যের অবতারণা হলো। একদিকে ছিল আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণকারী তার বন্দেগী ও আনুগত্য স্বীকারকারী মাত্র ৩১৩ জন মুসলমান, যাদের কাছে সাধারণ যুদ্ধ সরঞ্জাম পর্যন্ত ছিল না। অন্যদিকে ছিল অস্ত্র-শস্ত্র ও রসদ-পত্রে সুসজ্জিত এক সহস্রাধিক কাফির সৈন্য,যারা এসেছে তওহীদের আওয়াজকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার কঠিন প্রতিজ্ঞা নিয়ে। যুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে নবী কারীম(সা:) খোদার দরবারে হাত তুললেন এবং অতীব বিনয় নম্রতার সাথে বললেনঃ হে খোদা এই কুরাইশরা চরম ঔদ্ধত্য ও অহমিকা নিয়ে এসেছে তোমার রাসূলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে । অতএব আমায় যে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি তুমি দিয়েছিলে ,এখন সে সাহায্য প্রেরণ করো। হে খোদা ! আজ এই মুষ্টিমেয় দলটি যদি ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে দুনিয়ায় তোমার বন্দেগী করার আর কেউ থাকবে না।

বইটি ডাউনলোড করি (৯.৮৮মেগাবাইট)

***********

সুদ ও এর পরিণাম


বইটি ডাউনলোড করি ( 7.4 Mb only)

“যারা সুদ খায়, তারা কিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছেঃ ক্রয়-বিক্রয় ও তো সুদ নেয়ারই মত! অথচ আল্লা’হ তা’আলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন। অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।

আল্লাহ তা’আলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত করেন। আল্লাহ পছন্দ করেন না কোন অবিশ্বাসী পাপীকে”।

[সূরা বাকারাহ ২৭৫-২৭৬]

এখানে একটি পুস্তিকা আকারে ইমাম আয যাহাবী রাহিমাহুল্লাহ রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ ‘কবীরা গুনাহ’ হতে ‘সুদ’ নামক অধ্যায়টি আলাদাভাবে সংকলিত করা হয়েছে । আলোচিত বিষয়সমূহঃ

1. সুদ

2. সুদ প্রথার ভয়াবহ পরিণাম

3. সুদখোর কবর থেকে মতিচ্ছন্ন হয়ে উঠবে

4. সুদকে মিটানোর তাৎপর্য

5. সুদের নিষিদ্ধতা অবতীর্ণের পর পূর্ববর্তী সুদ মওকুফ

6. সুদের নিষিদ্ধতা অমান্যকারীদের প্রতি আল্লাহর হুমকী

7. চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ উসুল করার ব্যাপারে নিষিদ্ধতা

8. সুদে মাল বৃদ্ধি পায় না

9. সুদ খাওয়া কবীরা গুনাহ

10. সুদখোরের ভয়াবহ পরিণাম

11. সুদের গুনাহ সাতটি কবীরা গুনাহের অন্তর্গত

12. সুদখোরের উপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের লা’নত

13. খেজুর খেজুরের পরিবর্তে হলে সমান হতে হবে

14. বিদায় হজ্বে সুদ সম্পর্কে রাসূল (সা) এর ভাষণ

15. এক দিনার বা দিরহামকে দুই দিনার বা দিরহামের বিনিময়ে নিলে সুদ

16. সুদী লেন দেন করলে তা বাতিল করতে হবে

17. স্বর্ণকে রূপার বিনিময়ে বাকিতে বিক্রি করলে সুদ হয়

18. সুদদাতা এবং সুদগ্রহীতার উপর লা’নত

19. সুদদাতা গ্রহীতা ও লেখক সবাই সমান

20. যিম্মি সুদে জড়িত হলে যিম্মি হিসেবে পরিগণিত হবে না

21. যিনার উপার্জিত ও কুকুর বিক্রিলব্ধ অর্থ ও সুদ হারাম

22. সুদের গুনাহ তিহাত্তর প্রকার

23. সুদী লেনদেনের ব্যাপকতা দুর্ভিক্ষের কারণ

24. কিয়ামতের পূর্বে সুদ, যিনা ও শরাব ব্যাপক হবে

25. কিয়ামতের দিন সুদখোর শয়তান স্পর্শিত ব্যক্তির ন্যায় উঠবে

26. ঋণদাতা ঋণগ্রহীতার সওয়ারীতে চড়বে না

27. যে ঋণ মুনাফা টেনে আনে তা সুদ

28. ক্ষতিকর অর্থ ব্যবস্থার প্রতিরোধ

29. সুদভিত্তিক কায় কারবারের মাধ্যমে উপার্জন

30. সুদের নৈতিক কুফল

31. সুদের সামাজিক কুফল

32. বিশেষ ধরণের সুদ

বইটি ডাউনলোড করি ( 7.4 Mb only)

**********************

উহুদের যুদ্ধ


যুদ্ধ ভয়ংকর আকার ধারণ করলো। আবু দুজানা রাদিয়াল্লাহু আনহু নিজের দেহকে ঢাল বানিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রক্ষা করতে লাগলেন। তাঁর পিঠে তীর বিদ্ধ হচ্ছিল আর তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আড়াল করে তাঁর উপর ঝুঁকে দাঁড়িয়েছিলেন। এভাবে তাঁর গায়ে বিদ্ধ তীরের সংখ্যা দাঁড়ালো প্রচুর। আর সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিরক্ষার চেষ্টায় তীর নিক্ষেপ করতে লাগলেন। সা’দ বললেন, আবু দুজানাকে দেখলাম, আমাকে একটার পর একটা তীর দিয়েই চলছেন আর বলছেন,’তোমার জন্য আমার পিতামাতা কুরবান হোক। তুমি তীর নিক্ষেপ করতে থাক এমনকি এক সময় তিনি ফলকবিহীন তীরও দিচ্ছিলেন আর বলছিলেন, “নিক্ষেপ কর।”

পরাজয় ঘটার এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাহাদাত লাভের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখে সর্বপ্রথম চিনতে পারেন কা’ব ইবনে মালিক। কা’ব বলেন, শিরস্ত্রাণের ভেতর থেকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চোখ দুটি জ্বলজ্বল করছিলো আর তা দেখেই আমি চিনতে পারলাম এবং সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে বললাম, “হে মুসলমানগণ, সুসংবাদ ! রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেঁচে আছেন। তিনি এখানে।” অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ইশারা করে বললেন, “তুমি চুপ থাক।”

মুসলমানগণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে চেনার পর তাঁকে নিয়ে সবাই পর্বতের ঘাঁটিতে চলে গেলেন। এই সময় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলেন আবু বকর সিদ্দীক, উমার ফারুক, আলি ইবনে আবি তালিব, তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ ও যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) সহ একদল মুসলমান।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন পর্বতের ঘাঁটিতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তখন উবাই ইবনে খালফ সেখানে পৌঁছল। সে বললো, হে মুহাম্মদ, এ যাত্রা তুমি প্রাণে বেঁচে গেলেও তোমার নিস্তার নেই।” মুসলমানগণ বললেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ ! এ লোকটিকে সহানুভূতি দেখানো কি আমাদের কারো জন্যে সঙ্গত?” রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “ওকে আসতে দাও।” সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এলে, তিনি হারেস ইবনে সিম্মারের কাছে বর্শা নিলেন। বর্শা হাতে নেয়ার পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন ভয়ংকর পাঁয়তারা করলেন যে, উট প্রবল জোরে নড়ে উঠলে তার পিঠের উপর বসা বিষাক্ত ভিমরুলের ঝাঁক যেমন ছত্রভংগ হয়ে যায়, আমরাও ঠিক তেমনি ভীতসন্ন্ত্রস্ত্র হয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে ছত্রভংগ হয়ে দূরে ছিটকে পড়লাম। অতঃপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার দিকে এগিয়ে গেলেন।

বইটি ডাউনলোড করে বিস্তারিত পড়ি [৮.৮০ মেগাবাইট]

*************

মুসলিম বোন ও পর্দার হুকুম – সচিত্র সংকলন


আল্লাহর কোন সৃষ্টিই বেপর্দা নয়। এই পৃথিবীর পর্দা নীল আকাশ, যাকে আমরা আসমান বলি। এই যমিনের বেষ্টনীতে আছে যত নদ-নদী, হাওর, সাগর-মহাসাগর তাতে আছে যত সম্পদ আর প্রাণী, নানা জাতের আর আকারের মাছ, তাদের ও আল্লাহ তায়ালা পর্দার মধ্যে রেখেছেন, পানির পর্দা দিয়ে। বনের জন্তু জানোয়ারকে রাব্বুল আলামীন বনের পর্দা দিয়ে রেখেছেন। কোন ফল এমন নেই যে ফলের পর্দা নেই। যে ফুল সুবাস ছড়ায় সেও তার সৌরভ লুকিয়ে রাখে কলিতে।

এভাবে গোটা সৃষ্টিই রয়েছে পর্দায় পরিবৃত। মানুষ নিশ্চয়ই নয় এর ব্যতিক্রম। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাই নারী পুরষকে সম্ভ্রম আর নৈতিকতার পর্দার অনুভূতি দিয়ে সংরক্ষণ করেছেন। চোখের পর্দা, শ্রবন শক্তির পর্দা, বিবেকের পর্দা ভাল মন্দ পরখ করার জ্ঞানের পর্দার ব্যবস্থা আল্লাহ পাক আমাদের মধ্যে সৃষ্টি করে রেখেছেন। নারীর জন্য সে ব্যবস্থা দিয়ে তিনি সুষ্পষ্ট নির্দেশনাও দিয়েছেন।

সেই পর্দার চমৎকার বর্ণনা রয়েছে এই পুস্তিকায়। বইটি লিখেছেন বিশিষ্ট মুহাদ্দিস শাহ মুহাম্মাদ ওয়ালীউল্লাহ।

বইটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল এটি একটি ম্যাগাজিনের আদলে তৈরি ফটোবুক, এর প্রতিটি পাতায় পাতায় অনুপ্রেরণামূলক ছবি ও টাইপোগ্রাফি দিয়ে আমাদের বোনদেরকে হিজাবের দিকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের আশা এই বইটি আপনাদের ভালো লাগবে।

বইটি ডাউনলোড করে বিস্তারিত পড়ি এবং আমাদের বোনদের সাথে শেয়ার করি(১.৪৭ মেগাবাইট মাত্র)

বইটি ডাউনলোড করে বিস্তারিত পড়ি এবং আমাদের বোনদের সাথে শেয়ার করি(১.৪৭ মেগাবাইট মাত্র)

******************

“আল্লাহ সু’দকে নিশ্চিহ্ন করেন” ও সমকালীন বিশ্ব অর্থনীতি


DOWNLOAD THIS BOOK [1.46 MB only]

এটা সবার নিকট সু্স্পষ্ট যে বর্তমান চলমান অর্থনৈতিক সংকট প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যসহ গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিচ্ছে। এটা অত্যন্ত মারাত্মক একটা ব্যাপার যা রাজনৈতিক, সিদ্ধান্তগ্রহণকারী, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ এবং অর্থনীতিবীদদের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। এটা এত বিশাল একটা দুর্যোগ যে তা অত্যন্ত জটিল এবং এর সাথে অনেক বিষয় জড়িত, যা রাজনৈতিক ও অর্থনীতিবীদদের মহা হাঙ্গামায় পতিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে, এবং এটিকে নিয়ে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এত এত লেখালেখির কারণও তুলে ধরে। তারা সকলেই একটি সন্দেহযুক্ত অবস্থায় নিমজ্জিত আর তাদের মধ্যে অনেকেই ইতোমধ্যে একে অন্যকে এই জন্য দায়ী করা শুরু করেছেন।

এটি বিভিন্ন ব্যাংক এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিয়েছে, আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটেছে, বিলিয়নের মত লগ্নিকারী অর্থনৈতিক বাজার থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে, অনেক দেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে গিয়েছে, মিলিয়নের মত লোক তাদের সম্পদ হারিয়েছে, শেয়ার সঞ্চয় কিংবা বিনিয়োগের মাধ্যমে; আমেরিকান জনগণ শেয়ার বাজার থেকে প্রায় চার ট্রিলিয়ন টাকা হারিয়েছে। এই সংকট সুনামীর আকার ধারণ করেছে এবং পৃথিবীর অনেক দেশকে বড়সড় রকমের আঘাত হেনেছে।

জার্মান অর্থমন্ত্রী পিয়ার স্টেইনব্রুয়েক বলেছেন, এই পৃথিবী আর কখনোই তার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না ঠিক যেমনটি তা এই সংকটের পূর্বে ছিল।

হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাক। অতঃপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হয়ে যাও।(সূরা বাকারাঃ২৭৮-২৭৯)

এই যুদ্ধ আজ নানাভাবে প্রতীয়মান হচ্ছেঃ অন্তর ও মনের ওপর, প্রাচুর্য ও উন্নতির ওপর, সম্পদও ক্ষমতার ওপর, সুখ ও মনের শান্তির ওপর। এই যুদ্ধ হল ভয় ও দুশ্চিন্তার, বিধ্বংসী ও নিংড়ানো; যা আজো চালিত হচ্ছে ও এর চলার পথে সবকিছু গ্রাস করে নিচ্ছে এবং এটি ঘৃণ্য রিবা ভিত্তিক ব্যবস্থারই ফলাফলস্বরূপ।

এই সংকটের কারণে আজ তারা হতাশা, দুশ্চিন্তা, বিফলতা এবং স্নায়ুদৌর্বল্যে এতটা র্জজরিত যে আমেরিকান মনস্তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞ ন্যান্সি মলিটর বলেছেন, আমার বিশ বছরের পেশাগত জীবনে এর আগে আমি কখনো এরকম দিন দেখিনি। অনিশ্চয়তাবোধের মাত্রা পূর্ববর্তী সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে।

এটা এমন একটা পর্যায়ে পৌছেছে যে এই সংকটের চাপে খুন ও আত্মহত্যার মত ঘটনাবলী ঘটছে।

Read the rest of this entry

%d bloggers like this: